ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ কলম্বিয়া। এখনও পর্যন্ত ১১১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত অসংখ্য। তাসের ঘরের মতো ভাঙছে একের পর এক বাড়িঘর। মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। জানা যাচ্ছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও আটকে বহু মানুষ।

মার্কিন ভূতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৪ মিনিট নাগাদ জোরাল ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে কলম্বিয়া। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল কলম্বিয়ার চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমারের প্রায় ৫ কিলোমিটার পূর্বে এবং ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০৭ কিলোমিটার গভীরে। কম্পন অনুভূত হয় প্রতিবেশী দেশ ইকুয়েডর এবং ভেনেজুয়েলা সীমান্তেও। তবে এখনও পর্যন্ত সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। কলম্বিয়ার পেরেইরা শহরে মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। সেখানকার মেয়র মাউরিসিও সালাজার গোটা পরিস্থিতিকে ‘সংকটজনক’ বলে অভিহিত করেছে। সংবাদমাধ্য়মের খবর অনুযায়ী, একাধিক আফটার শকে কেঁপে উঠেছে কলম্বিয়ার মধ্য ও পশ্চিমাঞ্চল। রিখটার স্কেলে সেগুলির মাত্রা ছিল ৬.০, যা বিরল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা গিয়েছে, কালি শহরে ভেঙে পড়েছে প্রায় ২০টি বাড়ি। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধারকাজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed

তৃণমূলের ভরাডুবির পর অন্দরে তীব্র কোন্দল, বিস্ফোরক অভিযোগে সরব পাপিয়া ঘোষশিলিগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে দোষারোপের পালা।শিলিগুড়িতে দলের প্রাক্তন জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।পাপিয়া ঘোষের অভিযোগ, গত পাঁচ বছরে দলের সাংগঠনিক কাঠামো সম্পূর্ণভাবে বদলে গিয়েছিল। তাঁর কথায়, “তৃণমূলে আমরা ছিলাম যেন চাকর। দল চলত মালিক আর চাকরের মতো।আমাদের কাজ ছিল শুধু নির্দেশ পালন করা, মতামত দেওয়ার কোনও জায়গা ছিল না।”তিনি আরও দাবি করেন, ২০২১ থেকে ২০২৬ এই সময়কালে দলে সিন্ডিকেট রাজ ব্যাপকভাবে বেড়ে ওঠে। সাধারণ কর্মীদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। পাপিয়া ঘোষের মতে, “বাংলার মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেনি, বরং প্রত্যাখ্যান করেছে কিছু দাম্ভিক ও অহংকারী নেতাকে।”এদিকে, দলের ভরাডুবির পর তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ বাড়ছে।সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন একাংশ নেতা।