Author: Mahananda Mandal

৮০ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন পশ্চিমবঙ্গের রেড রোডে।

13:59 Reply to Mahananda Mandal ৮০ প্রম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৫ ই আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জাতীয় পতাকা উত… ৮০ প্রম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ১৫ ই আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী…

ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ কলম্বিয়া

ভয়াবহ ভূমিকম্পে তছনছ কলম্বিয়া। এখনও পর্যন্ত ১১১ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। আহত অসংখ্য। তাসের ঘরের মতো ভাঙছে একের পর এক বাড়িঘর। মৃতের সংখ্যা এক হাজার ছাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা…

তৃণমূলের ভরাডুবির পর অন্দরে তীব্র কোন্দল, বিস্ফোরক অভিযোগে সরব পাপিয়া ঘোষশিলিগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে দোষারোপের পালা।শিলিগুড়িতে দলের প্রাক্তন জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।পাপিয়া ঘোষের অভিযোগ, গত পাঁচ বছরে দলের সাংগঠনিক কাঠামো সম্পূর্ণভাবে বদলে গিয়েছিল। তাঁর কথায়, “তৃণমূলে আমরা ছিলাম যেন চাকর। দল চলত মালিক আর চাকরের মতো।আমাদের কাজ ছিল শুধু নির্দেশ পালন করা, মতামত দেওয়ার কোনও জায়গা ছিল না।”তিনি আরও দাবি করেন, ২০২১ থেকে ২০২৬ এই সময়কালে দলে সিন্ডিকেট রাজ ব্যাপকভাবে বেড়ে ওঠে। সাধারণ কর্মীদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। পাপিয়া ঘোষের মতে, “বাংলার মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেনি, বরং প্রত্যাখ্যান করেছে কিছু দাম্ভিক ও অহংকারী নেতাকে।”এদিকে, দলের ভরাডুবির পর তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ বাড়ছে।সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন একাংশ নেতা।

You missed

তৃণমূলের ভরাডুবির পর অন্দরে তীব্র কোন্দল, বিস্ফোরক অভিযোগে সরব পাপিয়া ঘোষশিলিগুড়ি: বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে দোষারোপের পালা।শিলিগুড়িতে দলের প্রাক্তন জেলা সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষের বিস্ফোরক মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে।পাপিয়া ঘোষের অভিযোগ, গত পাঁচ বছরে দলের সাংগঠনিক কাঠামো সম্পূর্ণভাবে বদলে গিয়েছিল। তাঁর কথায়, “তৃণমূলে আমরা ছিলাম যেন চাকর। দল চলত মালিক আর চাকরের মতো।আমাদের কাজ ছিল শুধু নির্দেশ পালন করা, মতামত দেওয়ার কোনও জায়গা ছিল না।”তিনি আরও দাবি করেন, ২০২১ থেকে ২০২৬ এই সময়কালে দলে সিন্ডিকেট রাজ ব্যাপকভাবে বেড়ে ওঠে। সাধারণ কর্মীদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাঁর। পাপিয়া ঘোষের মতে, “বাংলার মানুষ তৃণমূলকে প্রত্যাখ্যান করেনি, বরং প্রত্যাখ্যান করেছে কিছু দাম্ভিক ও অহংকারী নেতাকে।”এদিকে, দলের ভরাডুবির পর তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ বাড়ছে।সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন একাংশ নেতা।